মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি—সবখানেই আজ লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি। হালকা ওজনে অনেক শক্তি জমা রাখতে পারে বলে এটি আধুনিক প্রযুক্তির প্রাণ।
ব্যাটারির তিন অংশ
- অ্যানোড: সাধারণত গ্রাফাইটের স্তর।
- ক্যাথোড: লিথিয়ামযুক্ত ধাতব অক্সাইড।
- ইলেকট্রোলাইট: মাঝের তরল বা জেল, যার মধ্য দিয়ে আয়ন চলাচল করে।
চার্জ ও ডিসচার্জ
চার্জ দেওয়ার সময় লিথিয়াম আয়ন ক্যাথোড থেকে ইলেকট্রোলাইট পেরিয়ে গ্রাফাইটের স্তরের ফাঁকে গিয়ে জমা হয়। ফোন ব্যবহারের সময় আয়নগুলো আবার ক্যাথোডের দিকে ফিরে যায়, আর ইলেকট্রনগুলো বাইরের সার্কিট দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ফোন চালায়।
নোবেলজয়ী আবিষ্কার
এই ব্যাটারির উন্নয়নে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে রসায়নে নোবেল পান জন গুডএনাফ, স্ট্যানলি হুইটিংহাম ও আকিরা ইয়োশিনো। ৯৭ বছর বয়সে গুডএনাফ হন সবচেয়ে বেশি বয়সে নোবেলজয়ী।
ব্যাটারি ভালো রাখতে খুব গরম পরিবেশে চার্জ দেওয়া এড়িয়ে চলুন, আর সম্ভব হলে চার্জ একেবারে শূন্যে নামতে দেবেন না।









