সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও ‘বোসন’ কণার গল্প

লিখেছেন BigyanPoka১ মিনিটে পড়ুনমন্তব্য করুন
সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও ‘বোসন’ কণার গল্প

১৮৯৪ সালের ১ জানুয়ারি কলকাতায় জন্ম সত্যেন্দ্রনাথ বসুর। ১৯২১ সালে তিনি নবপ্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দেন। এখানেই তিনি করেন তাঁর জীবনের সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ।

আইনস্টাইনকে লেখা চিঠি

১৯২৪ সালে সত্যেন্দ্রনাথ প্ল্যাঙ্কের বিকিরণ সূত্রকে একেবারে নতুন উপায়ে প্রমাণ করেন—আলোর কণাগুলোকে পরস্পর থেকে অভিন্ন ধরে গণনা করে। একটি জার্নাল প্রবন্ধটি ছাপতে রাজি না হলে তিনি সেটি সরাসরি আলবার্ট আইনস্টাইনকে পাঠান।

আইনস্টাইন প্রবন্ধটির গুরুত্ব সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারেন। তিনি নিজে এটি জার্মান ভাষায় অনুবাদ করে প্রকাশের ব্যবস্থা করেন এবং পরে ধারণাটিকে পরমাণুর ক্ষেত্রেও প্রসারিত করেন।

বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান ও বোসন

এভাবেই জন্ম নেয় বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান। যে কণাগুলো এই পরিসংখ্যান মেনে চলে, পদার্থবিদ পল ডিরাক তাদের নাম দেন ‘বোসন’। আলোর কণা ফোটন থেকে শুরু করে ২০১২ সালে আবিষ্কৃত হিগস বোসন—সবই এই পরিবারের সদস্য।

বোস-আইনস্টাইন ঘনীভবন

তাঁদের তত্ত্ব ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল, পরম শূন্যের খুব কাছাকাছি তাপমাত্রায় অসংখ্য পরমাণু একসঙ্গে একটি ‘সুপার পরমাণু’র মতো আচরণ করবে। ১৯৯৫ সালে গবেষণাগারে এই অবস্থা তৈরি করা সম্ভব হয়, যার জন্য ২০০১ সালে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।