উনিশ শতকের মাঝামাঝি বিজ্ঞানীরা ৬০টির মতো মৌল চিনতেন, কিন্তু সেগুলোকে সাজানোর কোনো যুক্তিসংগত নিয়ম ছিল না। রুশ রসায়নবিদ দিমিত্রি মেন্ডেলিভ ১৮৬৯ সালে পারমাণবিক ভর আর রাসায়নিক ধর্ম মিলিয়ে মৌলগুলোকে একটি সারণিতে সাজান।
সাহসী ভবিষ্যদ্বাণী
মেন্ডেলিভ লক্ষ করেন, ধর্ম মেলাতে গেলে কিছু জায়গা ফাঁকা রাখতে হয়। তিনি দাবি করেন, এগুলো এমন মৌলের ঘর, যা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। এমনকি সেগুলোর ভর ও ধর্মও তিনি আগাম বলে দেন।
পরের দুই দশকে গ্যালিয়াম, স্ক্যান্ডিয়াম আর জার্মেনিয়াম আবিষ্কৃত হয়—আর তাদের ধর্ম মেন্ডেলিভের ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে প্রায় হুবহু মিলে যায়।
আধুনিক পর্যায় সারণি
পরে বোঝা যায়, মৌলের আসল ক্রম নির্ধারণ করে পারমাণবিক সংখ্যা, অর্থাৎ নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সংখ্যা। আজকের পর্যায় সারণিতে ১১৮টি মৌল আছে। সারণির প্রতিটি সারি একটি ‘পর্যায়’ আর প্রতিটি কলাম একটি ‘গ্রুপ’—একই গ্রুপের মৌলগুলোর আচরণ অনেকটা একই রকম।









