শূন্যস্থানে আলো প্রতি সেকেন্ডে ২৯ কোটি ৯৭ লাখ ৯২ হাজার ৪৫৮ মিটার পথ পাড়ি দেয়। এক সেকেন্ডে পৃথিবীকে প্রায় সাড়ে সাতবার ঘুরে আসার মতো গতি এটি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আলো এত দ্রুত কেন, আর এর চেয়ে দ্রুত কিছু চলতে পারে না কেন?
ভরহীন কণার গতি
আলো তৈরি ফোটন নামের কণা দিয়ে, যাদের কোনো স্থির ভর নেই। আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুযায়ী, ভরহীন কণাকে সবসময় এই নির্দিষ্ট গতিতেই চলতে হয়। তাই এটি শুধু ‘আলোর গতি’ নয়, বরং মহাবিশ্বে তথ্য ও কার্যকারণের সর্বোচ্চ গতি।
ভরযুক্ত বস্তু কেন পারে না?
কোনো বস্তুর গতি যত বাড়ে, তার গতিশক্তিও তত বাড়ে। আলোর গতির কাছাকাছি পৌঁছালে আরও একটু গতি বাড়াতে বিপুল থেকে বিপুলতর শক্তির প্রয়োজন হয়, আর আলোর গতিতে পৌঁছাতে লাগবে অসীম শক্তি। তাই ভরযুক্ত কোনো বস্তু কখনোই আলোর গতিতে পৌঁছাতে পারে না।
পানিতে আলো ধীর হয়
পানি বা কাচের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় আলোর গতি কমে যায়—পানিতে প্রায় ২৫ শতাংশ। এই ধীর হওয়ার কারণেই আলো বেঁকে যায়, যাকে আমরা প্রতিসরণ বলি। প্রিজমে আলো ভেঙে রংধনুর সাত রং তৈরি হয় এ কারণেই।









