অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স: নীরব মহামারি

লিখেছেন BigyanPoka১ মিনিটে পড়ুনমন্তব্য করুন
অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স: নীরব মহামারি

১৯২৮ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং লক্ষ করেন, একটি ছত্রাক তার চারপাশের ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলছে। এই আবিষ্কার থেকেই আসে পেনিসিলিন, পৃথিবীর প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক। এরপর কোটি কোটি মানুষের জীবন বেঁচেছে।

রেজিস্ট্যান্স কীভাবে তৈরি হয়?

ব্যাকটেরিয়া খুব দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে, আর মাঝে মাঝে তাদের ডিএনএতে পরিবর্তন ঘটে। কোনো পরিবর্তনের ফলে কিছু ব্যাকটেরিয়া অ্যান্টিবায়োটিকের আঘাত সহ্য করতে পারে। ওষুধে বাকিরা মরে গেলেও এরা টিকে যায় এবং বংশবৃদ্ধি করে—এভাবেই তৈরি হয় ওষুধ-প্রতিরোধী জীবাণু।

সমস্যা কত বড়?

২০২২ সালে চিকিৎসা সাময়িকী ল্যানসেটে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৯ সালে বিশ্বে প্রায় ১২ লাখ ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যুর সরাসরি কারণ ছিল ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ।

আমরা যা করতে পারি

  • চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কিনবেন না।
  • চিকিৎসক যতদিন বলেছেন, ততদিন ওষুধ খান—ভালো লাগলেই মাঝপথে থামাবেন না।
  • সর্দি-কাশির মতো ভাইরাসজনিত অসুখে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না।
  • নিয়মিত হাত ধোয়া ও টিকা সংক্রমণ কমায়।